শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নের দশটি পূজামণ্ডপে নগদ আর্থিক অনুদান শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে দিয়েছেন আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এবং সিঙ্গাপুরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলমগীর সরকার। মঙ্গলবার রাতে শারদীয় দুর্গোৎসবের মহা নবমীতে স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নানের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রবাসে অবস্থান করেও এলাকার মানুষের সঙ্গে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বন্ধন অটুট রাখতে আলমগীর সরকারের নিজস্ব প্রতিনিধিদের মাধ্যমে এ অনুদান শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে পৌঁছে দেওয়া হয়।
জানা যায়, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদ্যাপনে শুভেচ্ছা জানানো এবং পূজামণ্ডপ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইউনিয়নের প্রতিটি ধর্মের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রাখার ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলমগীর সরকার।
এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলমগীর সরকার মুঠোফোনে বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসব শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি আমাদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভ্রাতৃত্ববোধেরও প্রতীক। ধর্ম যার যার, রাস্ট্র সবার, এই চেতনায় আমরা সবাই মিলেমিশে বসবাস করতে চাই। ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নে সব ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষায় পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্প্রীতি বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। তিনি আরও বলেন, আমি প্রবাসে থাকলেও এলাকার মানুষের সঙ্গে আমার সম্পর্ক সবসময় অটুট। সুখে-দুঃখে মানুষের পাশে থাকা এবং এলাকার উন্নয়ন ও কল্যাণে সাধ্যমতো ভূমিকা রাখাই আমার লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নের মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাবো ইনশাল্লাহ।
অনুদান বিতরণকালে আলমগীর সরকারের কয়েকজন প্রতিনিধি বলেন, আলমগীর সরকার প্রবাসে থাকলেও এলাকার মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতার চেষ্টা করেন। শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে তাঁর পক্ষ থেকে দশটি পূজামণ্ডপে নগদ আর্থিক অনুদান শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নের সব ধর্মের মানুষ যেন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারেন, সে প্রত্যাশা আমাদের সবার।
শুভেচ্ছা উপহার পেয়ে পূজামণ্ডপ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং দুর্গোৎসবের আনন্দ সবার মধ্যে ছড়িয়ে পড়বে বলে তারা আশা ব্যক্ত করেন।