ধর্মীয় সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধা আর মানুষের প্রতি ভালোবাসার বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার শ্যামগ্রাম ইউনিয়নের মধ্যপাড়ায় লক্ষ্মীপূজার পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও শ্যামগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ সাকিল আহমেদ।

শ্যামগ্রাম মধ্যপাড়া তরুণ যুব সংঘের উদ্যোগে আয়োজিত লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে তিনি পূজামণ্ডপে উপস্থিত হয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় তিনি পূজার সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং ধর্মীয় উৎসবের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়ুক—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

মোহাম্মদ সাকিল আহমেদ শ্যামগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম শফিকুল ইসলাম বাতেনের বড় ছেলে। বাবার স্মৃতি, মানুষের ভালোবাসা আর জনসেবার স্বপ্নকে হৃদয়ে ধারণ করে তিনি বলেন, “আমার বাবা চেয়ারম্যান থাকাকালে এই ইউনিয়নের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলেছেন। দীর্ঘ ২৭ বছর পরও মানুষ তাঁকে স্মরণ করেন—এটা আমার জন্য অত্যন্ত আবেগের বিষয়। মানুষের পাশে থাকার শিক্ষা আমি আমার বাবার কাছ থেকেই পেয়েছি।”

তিনি আরও বলেন, “আমিও যদি নির্বাচিত হয়ে মানুষের সেবা করার সুযোগ পাই, তাহলে সবার সুখে-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করব। মানুষের ভালোবাসা ও আস্থা অর্জন করাই হবে আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।”

বাবার রেখে যাওয়া স্মৃতি ও মানুষের ভালোবাসার কথা তুলে ধরে তাঁর এই বক্তব্যে উঠে আসে জনসেবার প্রত্যাশা এবং এলাকার মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক অটুট রাখার অঙ্গীকার।

ধর্মীয় সম্প্রীতির বন্ধন অটুট থাকুক বাংলাদেশের প্রতিটি ধর্মীয় উৎসবই মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ জাগিয়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি করে। লক্ষ্মীপূজার মতো ধর্মীয় আয়োজনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সৌজন্য উপস্থিতি সেই সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে।

শ্যামগ্রামের এই আয়োজনেও পারস্পরিক সম্মান ও সৌহার্দ্যের বার্তা প্রতিফলিত হয়েছে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই যেন নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে পালন করতে পারেন—এমন প্রত্যাশাই স্থানীয় সম্প্রীতির মূল শক্তি।

মানুষের পাশে থাকা, সবার প্রতি সম্মান দেখানো এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখার মধ্য দিয়েই গড়ে উঠুক একটি শান্তিপূর্ণ, মানবিক ও ঐক্যবদ্ধ শ্যামগ্রাম—এমন প্রত্যাশা সচেতন মহলের।