শিরোনাম :
নবীনগরের শিক্ষাঙ্গনে হতাশার ছায়া! এইচএসসিতে পাসের হার ৩৬.৯৪%, দুই প্রতিষ্ঠানে শূন্য পাস আইসিটি প্রশিক্ষণ ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে অবদান, নবীনগরে শ্রেষ্ঠ যুব সংগঠন নির্বাচিত ‘প্রত্যাশার আলো’ বাবুল চেয়ারম্যানের স্মৃতি বুকে নিয়ে কুড়িনালবাসীর দ্বারে শফিক, উন্নয়নের নতুন অঙ্গীকার নবীনগর প্রবাসী ফোরাম বিএনপির প্রধান কার্যালয় উদ্বোধন করলেন এমপি আব্দুল মান্নান। নবীনগরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই এরশাদ মিয়ার বসতঘর, ক্ষতি প্রায় ৫ লাখ টাকা নবীনগরে কোনো চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যুর ঠাঁই হবে না: এমপি আব্দুল মান্নান। সাম্য, সম্প্রীতি ও মানবতার চেতনায় নতুন প্রজন্মকে গড়তে হবে নবীনগরে এমপি আব্দুল মান্নান নতুন প্রজন্মকে নজরুলের সাম্য ও মানবতার আদর্শে গড়ে তোলার আহ্বান এমপি এড. আব্দুল মান্নান ত্যাগের স্মৃতি বুকে, নতুন নেতৃত্বের প্রত্যাশায় রিফাত সরকার—শ্যামগ্রাম ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি পদপ্রার্থী তৃণমূলের আস্থা অর্জনের প্রত্যয়ে শ্যামগ্রাম ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি পদে লড়তে চান বাদল
রবি, ০১ নভে ২০২৬, ১২:০১ অপরাহ্ন

নবীনগরে সার ডিলার নিয়োগে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ, অস্বীকার সংসদ সদস্য ও কৃষি কর্মকর্তার

মো:নিজাম উদ্দিন, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি- / ৩২ ভিউ
আপডেট : শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে সার ডিলার নিয়োগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপি ও কৃষকদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বজনপ্রীতি ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কয়েকজন নেতা। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নান ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা।

গত ৯ অক্টোবর কৃষি মন্ত্রণালয় নবীনগর উপজেলার একটি পৌরসভা ও ২১টি ইউনিয়নের জন্য ২২ জন সার ডিলারের নামের তালিকা প্রকাশ করে। এরপর নিয়োগপ্রাপ্তদের রাজনৈতিক পরিচয় ও নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

কৃষকদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক একেএম মামুনুর রশিদ অভিযোগ করেন, নবীনগরে কৃষকদলের কাউকে সার ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়নি। উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল করিমও দলীয় আবেদনকারীদের উপেক্ষা করে আত্মীয় ও ভিন্ন রাজনৈতিক পরিচয়ের ব্যক্তিদের প্রাধান্য দেওয়ার অভিযোগ তোলেন। যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রাজীব আহসান চৌধুরীও নিয়োগপ্রাপ্তদের রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

কৃষকদল নেতা একেএম মামুনুর রশিদ মুঠোফোনে বলেন, বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে কৃষকদলের ব্যবসায়ী নেতারা আবেদন করলেও তাঁদের কাউকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। তাঁর দাবি, সংসদ সদস্যের সুপারিশ করা ব্যক্তিরাই নিয়োগ পেয়েছেন। অন্যদিকে, উপজেলা বিএনপির কৃষিবিষয়ক সম্পাদক এম এ কাহার বলেন, লাউর ফতেপুর ইউনিয়ন থেকে তিনি আবেদন করেও ডিলারশিপ পাননি। তাঁর অভিযোগ, নিয়োগপ্রাপ্ত সাইফুল ইসলাম আগে ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং ২০২৪ সালের পর এনসিপির রাজনীতিতে যুক্ত হন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নান বলেন, সার ডিলার নিয়োগ সরকারি প্রক্রিয়া, এটি কোনো দলীয় নিয়োগ নয়। তিনি কাউকে ডিও লেটার দেননি বলেও দাবি করেন। তাঁর ভাষ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করা অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ থাকলে তা উপস্থাপন করা উচিত।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম লিটন জানান, মোট ১৭৩টি আবেদন থেকে যাচাই-বাছাই করে ৬৬ জনের তালিকা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। সেখান থেকে আপাতত ২২ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী সময়ে ব্লকভিত্তিক আরও ডিলার নিয়োগ দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। তাঁর দাবি, সরকারি নীতিমালা অনুসরণ করেই পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে এবং এ বিষয়ে কোনো ডিও লেটার তাঁরা পাননি।

সার ডিলার নিয়োগ নিয়ে ওঠা অভিযোগের সত্যতা যাচাই, নির্বাচনের মানদণ্ড স্পষ্ট করা এবং প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে অভিযোগ ও পাল্টা বক্তব্যের বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য তথ্য প্রকাশ করা হলে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ