শিরোনাম :
বাবুল চেয়ারম্যানের স্মৃতি বুকে নিয়ে কুড়িনালবাসীর দ্বারে শফিক, উন্নয়নের নতুন অঙ্গীকার নবীনগর প্রবাসী ফোরাম বিএনপির প্রধান কার্যালয় উদ্বোধন করলেন এমপি আব্দুল মান্নান। নবীনগরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই এরশাদ মিয়ার বসতঘর, ক্ষতি প্রায় ৫ লাখ টাকা নবীনগরে কোনো চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যুর ঠাঁই হবে না: এমপি আব্দুল মান্নান। সাম্য, সম্প্রীতি ও মানবতার চেতনায় নতুন প্রজন্মকে গড়তে হবে নবীনগরে এমপি আব্দুল মান্নান নতুন প্রজন্মকে নজরুলের সাম্য ও মানবতার আদর্শে গড়ে তোলার আহ্বান এমপি এড. আব্দুল মান্নান ত্যাগের স্মৃতি বুকে, নতুন নেতৃত্বের প্রত্যাশায় রিফাত সরকার—শ্যামগ্রাম ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি পদপ্রার্থী তৃণমূলের আস্থা অর্জনের প্রত্যয়ে শ্যামগ্রাম ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি পদে লড়তে চান বাদল সরকার নারীশিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে: নবীনগরের রসুল্লাবাদে এমপি আব্দুল মান্নান। নদী রক্ষা কমিটির সভায় নবীনগরে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে যৌথবাহিনীর অভিযানের দাবি উত্থাপন
শনি, ৩১ অক্টো ২০২৬, ১১:১৯ পূর্বাহ্ন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২০

নিজস্ব প্রতিনিধি -- / ২৩ ভিউ
আপডেট : রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নে পূর্ববিরোধের জের ধরে দুপক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। প্রায় তিন ঘণ্টা সংঘর্ষ চলে। এ সময় ঘর-বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এলাকাবাসীরা জানান, ঘটনার সূত্রপাত শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে। ইছাপুরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আক্তারের সমর্থক ও প্রতিপক্ষ বকুলের সমর্থদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। পরে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে আবারও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে উভয় পক্ষের লোকজন। দেশীয় অস্ত্র হাতে দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলে। এলাকায় টান টান উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
বিভিন্ন সূত্র জানায়, শনিবার স্থানীয় বাজারে আক্তার গ্রুপের এনামের সঙ্গে বকুল গ্রুপের রুবেলের কথা কাটাকাটি হয়।এর জের ধরেই সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে। দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয় উভয় পক্ষ। সংঘর্ষের সময় ঘর-বাড়িতে হামলা হয় এবং ভাঙচুর ও লুট করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এর জের ধরে রোববার সকাল ৭টা থেকে আবারও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষ। সকাল ১০টা পর্যন্ত প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে চলে এই সংঘর্ষ। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিজয়নগর থানা পুলিশ। স্থানীয় ও উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে দুই পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
বিজয়নগর থানার ওসি মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ জানান, পূর্ববিরোধের জের ধরে সংঘর্ষ ঘটেছে। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এলাকার পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ মোতায়ন রয়েছে।


এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ