একজন শিক্ষার্থীর হাফেজ হয়ে ওঠার পেছনে তার নিজের অধ্যবসায়ের পাশাপাশি শিক্ষক ও অভিভাবকদের দীর্ঘদিনের শ্রম থাকে। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত অনুশীলন, শুদ্ধ তিলাওয়াত এবং মুখস্থ অংশ ধরে রাখার জন্য শিক্ষকদের ধৈর্য ও আন্তরিকতা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তাঁদের অবদানকে সম্মান জানানো আমাদের দায়িত্ব।
মাদ্রাসার সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. কামাল হোসেন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মাদ্রাসার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শফিকুর হোসেন। অনুষ্ঠানের নিবেদক ছিলেন মাদ্রাসার মুহতামিম হাফেজ মাওলানা মুমিনুল হক ভূঁইয়া।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন সোহেল, পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হাসিবুল হাদী, সাংগঠনিক সম্পাদক শুক্কুর খান, উপজেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক জাবেদুল ইসলাম জাবেদ এবং পৌর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি শামীম আহমেদ। এ ছাড়া বিশিষ্ট আলেম-ওলামা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজনের অংশ হিসেবে বৃত্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মেধা যাচাইয়ের পাশাপাশি কৃতী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি, সনদ ও সংবর্ধনা প্রদান এবং ধর্মীয় শিক্ষার প্রসারে অবদান রাখা শিক্ষকদের সম্মাননা জানানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়।
এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের পবিত্র কুরআন হিফজে আগ্রহী করে তোলার পাশাপাশি মেধা বিকাশ ও মাদ্রাসা শিক্ষার মানোন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে কুরআনের শিক্ষা বিস্তার এবং শিক্ষকদের যথাযথ মর্যাদা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এলাকায় ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার প্রসার আরও গতিশীল হবে।